📢 জরুরী নোটিশ
📢 জরুরী নোটিশ

অভিযোগ কারীর নাম: সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরী

অভিযোগ কারীর ফোন নাম্বার: ০১৭৪৩১২০৮৪৪

অভিযোগ: পত্নীতলা উচ্চ বিদ্যালয় এর ইতিহাস ১. প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপটঃ ১৯৬০ এর দশকে পত্নীতলা ও আশেপাশের গ্রামীণ অঞ্চলে মাধ্যমিক শিক্ষার কোনো সুব্যবস্থা ছিল না। শিক্ষার্থীদের অনেক দূরে গিয়ে পড়ালেখা করতে হতো, যা আর্থিক ও সামাজিক দিক থেকে কষ্টকর ছিল। স্থানীয় শিক্ষানুরাগী মহল ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উদ্যোগ নিলেও সম্পত্তির কারনে তা সম্ভব ছিলনা। কিন্তু ঐ সময় সমভ্রান্ত চৌধুরী পরিবার এলাকার মানুষের সারবিক মঙ্গল চিন্তা করে ইউসুফ আলী চৌধুরী, আব্দুর রহমান চৌধুরী, এবং ওমর আলী চৌধুরী ৯৩ শতাংশ জমি দান করেন। যার ফলে ১৯৬৪ সালে পত্নীতলা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল গ্রামীণ ও সাধারণ পরিবারের সন্তানদের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়া। ২. প্রতিষ্ঠার বছর ও স্বীকৃতিঃ বিদ্যালয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে ১ জানুয়ারি ১৯৬৪ সালে। শিক্ষার মান ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় বিদ্যালয়টি দ্রুত স্বীকৃতি লাভ করে। সরকারি রেকর্ড অনুসারে ১৯৬৭ সালে বিদ্যালয়টি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি অর্জন করে। ৩. অবকাঠামো ও পরিবেশঃ প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক সময়ে বিদ্যালয়টি ছিল একটি সাধারণ টিনশেড ভবন, যেখানে কয়েকটি কক্ষে পাঠদান চলত। সময়ের সাথে সাথে সরকারি সহায়তা, চৌধুরী পরিবারের দান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অবদানে বিদ্যালয়ের ভবন সম্প্রসারণ ঘটে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে বহুতল ভবন, বিজ্ঞানাগার, কম্পিউটার ল্যাব, গ্রন্থাগার ও খেলার মাঠ রয়েছে। ৪. পাঠ্যক্রম ও শাখাঃ বিদ্যালয়ে বর্তমানে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা তিনটি শাখায় পাঠদান করা হয়। এতে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে প্রতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে এবং ভালো ফলাফল অর্জন করে আসছে। ৫. শিক্ষক ও শিক্ষার্থীঃ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মচারীগণ তাঁদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বর্তমানে বিদ্যালয়ে কয়েকশ’ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অতীতে এখানকার প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সেনা কর্মকর্তা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলভাবে কর্মরত আছেন। ৬. সংস্কৃতি ও সহপাঠ কার্যক্রমঃ পত্নীতলা উচ্চ বিদ্যালয় শুধু পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, বিতর্ক, স্কাউট, রোভার স্কাউট, সামাজিক সেবা কার্যক্রম ইত্যাদির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, চরিত্র গঠন ও সামাজিক দায়িত্ববোধ তৈরিতে কাজ করছে। বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান স্থানীয়ভাবে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। ৭. সাফল্য ও গৌরবঃবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য ফলাফল করে থাকে। অনেকেই জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব অর্জন করেছে। দীর্ঘ দিনের সাফল্যের কারণে পত্নীতলা উচ্চ বিদ্যালয় এ অঞ্চলের শিক্ষাক্ষেত্রে একটি আস্থা ও গৌরবের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৮. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ বিদ্যালয়ের লক্ষ্য হলো আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা চালু করা, ডিজিটাল ল্যাব ও মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ সম্প্রসারণ করা এবং শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীন বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা। এই তথ্য সংযুক্ত করে দিয়েন

গৃহীত পদক্ষেপ: অপেক্ষমাণ